dbjil-এর লটারি বিভাগে প্রতিদিন তিনটি ড্র হয়। ইনস্ট্যান্ট লটারি থেকে শুরু করে সাপ্তাহিক মেগা জ্যাকপট — সব ধরনের খেলোয়াড়ের জন্য আলাদা বিভাগ আছে।
dbjil-এ নিবন্ধন করুন। মোবাইল নম্বর ও ইমেইল দিয়ে মিনিটের মধ্যে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবেন।
Mobile Pay, Nagad, Rocket বা ব্যাংক ট্রান্সফারে সহজেই ডিপোজিট করুন। ন্যূনতম ডিপোজিট মাত্র ৳১০।
মেগা জ্যাকপট, দৈনিক ড্র, সুপার সিক্স বা ইনস্ট্যান্ট স্ক্র্যাচকার্ড — পছন্দমতো বিভাগে যান।
নিজে পছন্দের নম্বর বেছে নিতে পারেন অথবা "Quick Pick" দিয়ে সিস্টেমকে র্যান্ডমলি বেছে নিতে দিন।
পেমেন্ট নিশ্চিত করুন, টিকিট নম্বর সংরক্ষণ করুন এবং ড্র-এর সময় ফলাফল দেখুন।
ড্র শেষ হওয়ার পরপরই জয়ের অর্থ আপনার dbjil ওয়ালেটে জমা হয়। সেখান থেকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে তুলতে পারবেন।
| র্যাংক | মেলানো সংখ্যা | পুরস্কার | অড্স |
|---|---|---|---|
| ১ | ৬ / ৬ | ৳ ৫,০০,০০০ | ১ : ৯৮৩,৩৩০ |
| ২ | ৫ / ৬ | ৳ ২৫,০০০ | ১ : ৫৫,৪৯২ |
| ৩ | ৪ / ৬ | ৳ ২,০০০ | ১ : ১,৯৩২ |
| ৪ | ৩ / ৬ | ৳ ৩০০ | ১ : ৫৭ |
| ৫ | ২ / ৬ | ৳ ৫০ (ফ্রি টিকিট) | ১ : ৮ |
| ৬ | ১ / ৬ | ৳ ২০ (ফ্রি টিকিট) | ১ : ৩.৫ |
লটারির সাথে বাংলাদেশের মানুষের সম্পর্ক অনেক পুরনো। ছোটবেলা থেকেই দেখে এসেছি — হাটে-বাজারে রঙিন টিকিট, সংখ্যার মিলের অপেক্ষা, আর জিতলে আনন্দের ঢেউ। সেই একই উত্তেজনাকে dbjil এনেছে ডিজিটাল রূপে, আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদভাবে। এখানে প্রতিটি ড্র রেকর্ড করা হয়, ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশিত হয় এবং জয়ের অর্থ সরাসরি ওয়ালেটে চলে যায়।
অনেকে ভাবেন লটারি মানেই বড় টাকার বিষয়। আসলে তা নয়। dbjil-এ মাত্র ৳১০ দিয়ে ইনস্ট্যান্ট স্ক্র্যাচকার্ড কেনা যায়। দৈনিক ড্র-তে ৳২০ দিয়ে অংশ নেওয়া সম্ভব। বড় জ্যাকপটের স্বপ্ন দেখতে চাইলে মেগা জ্যাকপটে যান, সেখানে ৳৫০ টিকিটে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত পাওয়ার সুযোগ আছে।
অনলাইন লটারিতে অনেকের মনেই একটা প্রশ্ন থাকে — ড্র কি সত্যিই নিরপেক্ষ? dbjil এই প্রশ্নের উত্তর দেয় প্রযুক্তি দিয়ে। এখানে Provably Fair সিস্টেম ব্যবহার করা হয়, যেখানে প্রতিটি ড্র-এর আগে একটি ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ তৈরি হয় এবং ড্রয়ের পরে সেটি যাচাই করা যায়। যেকোনো খেলোয়াড় নিজেই পরীক্ষা করতে পারেন ড্রটি কারসাজিমুক্ত ছিল কি না।
প্রতিটি ড্র-এর ফলাফল সংরক্ষিত থাকে এবং যেকোনো সময় দেখা যায়। গত ছয় মাসের সব ড্র-এর তথ্য, বিজয়ী সংখ্যা এবং পেআউটের বিস্তারিত dbjil-এর লটারি বিভাগে পাওয়া যায়। এটা অনেক বড় পার্থক্য — অনেক প্ল্যাটফর্ম ইতিহাস লুকিয়ে রাখে, dbjil রাখে না।
টাকা পাওয়ার ব্যাপারেও কোনো জটিলতা নেই। ড্র শেষ হওয়ার পরপরই জয়ের পরিমাণ dbjil ওয়ালেটে যোগ হয়ে যায়। সেখান থেকে Mobile Pay বা Nagad-এ ট্রান্সফার করতে সাধারণত পাঁচ থেকে দশ মিনিট লাগে। বড় অঙ্কের ক্ষেত্রে ব্যাংক ট্রান্সফারের সুবিধাও আছে।
একা একা মেগা জ্যাকপটের অড্স অনেক বেশি মনে হলে সিন্ডিকেট অপশন ব্যবহার করুন। dbjil-এ দল বেঁধে টিকিট কেনার সুবিধা আছে। ১০ জন মিলে ১০০টি টিকিট কিনলে জেতার সম্ভাবনা ১০০ গুণ বেড়ে যায়, আর জিতলে পুরস্কার ভাগ হয়ে যায়। বন্ধু বা পরিবারের সাথে মিলে খেলার এই সুযোগটা অনেকের কাছেই জনপ্রিয়।
সিন্ডিকেট তৈরি করতে বা যোগ দিতে dbjil অ্যাপে সহজ অপশন আছে। একজন সদস্য সিন্ডিকেট তৈরি করেন, বাকিরা যোগ দেন এবং প্রত্যেকের পেমেন্ট আলাদাভাবে হয়। জেতার পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে শেয়ার অনুযায়ী ভাগ হয়ে প্রত্যেকের ওয়ালেটে যায়।
নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য dbjil-এ Loyalty পয়েন্ট সিস্টেম আছে। প্রতিটি টিকিট কেনায় পয়েন্ট যোগ হয়, সেই পয়েন্ট দিয়ে ফ্রি টিকিট পাওয়া যায়। মাসে ১০টির বেশি টিকিট কিনলে বিশেষ ছাড় মেলে। এটা নিয়মিত অংশগ্রহণকারীদের জন্য সত্যিই ভালো একটা সুবিধা।
মোবাইলে লটারি খেলার অভিজ্ঞতাটা dbjil-এ বেশ সহজ করা হয়েছে। যেকোনো Android বা iOS ডিভাইস থেকে অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট কেনা যায়, ড্রর লাইভ নোটিফিকেশন পাওয়া যায় এবং জয়ের সংবাদ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়। গ্রামীণ এলাকায় ধীর ইন্টারনেটেও অ্যাপটি মসৃণভাবে চলে কারণ এটি কম ডেটা ব্যবহার করার জন্য অপ্টিমাইজড।
প্রতিটি ড্র ক্রিপ্টোগ্রাফিক হ্যাশ দিয়ে যাচাইযোগ্য। কোনো কারসাজির সুযোগ নেই।
ড্র শেষ হওয়ার সাথে সাথে ওয়ালেটে টাকা। কোনো দেরি নেই, কোনো ঝামেলা নেই।
বন্ধু-পরিবার নিয়ে দল বেঁধে টিকিট কিনুন, জেতার সম্ভাবনা বাড়ান।
Mobile Pay, Nagad, Rocket সহ সব মোবাইল ব্যাংকিং সংযুক্ত। ন্যূনতম ৳১০ দিয়ে শুরু করুন।
প্রতিটি টিকিটে পয়েন্ট যোগ হয়। পয়েন্ট দিয়ে ফ্রি টিকিট ও বোনাস পান।
ড্রয়ের আগে রিমাইন্ডার, ফলাফল বেরোলে তাৎক্ষণিক পুশ নোটিফিকেশন পাবেন।
মাত্র ৳১০ থেকে শুরু করুন। প্রতিদিন তিনটি ড্র, তাৎক্ষণিক পেআউট এবং সম্পূর্ণ স্বচ্ছ প্রক্রিয়া — এটাই dbjil লটারির প্রতিশ্রুতি।